বাঁশি ও বীজ

নির্মাল্য বন্দোপাধ্যায়



বনফুলেরা গা ধুয়ে নিচ্ছে মাকাল ফলাদি তুচ্ছ ও অপেক্ষমান করে। অবাধ্য শিকচাকায় সন্ধ্যে গড়ায় মহিষবাথানà§â€ ¡à¥¤ ফেলে দেয়া চা-নেশার ভাঁড় ভেঙে যেতে-যেতে সতর্ক করে আমার কর্ণকুহর। রঙিন স্কুলফিতেঠ° মত রাস্তা নাগাড়ে দৌড়ে চলে, এন্তার ধানভানে এবং বোধহয় শিবেরও গাজন গায়। বাঁশি বাজলেই তাড়া, যদিও বাঁশ যে কলিকৃষ্ণেà ¦° বাঁশরি হবে তেমন কোন ভরসা কোথায়? সুতরাং তিষ্ঠ ক্ষণকাল। জন্ম যদি তব এই রঙ্গে, জিরিয়ে নেয়া বাধ্যতামূà¦Â ²à¦•।

স্বপ্ন ততদিনই সত্যি যতদিন জনৈক ভিখারি একমুঠো চাল তোলে নিজের ডেরায়। ততক্ষণই স্পন্দ্যমা ন বীজ রুয়ে চলা যতক্ষণ না পেটের এবং পেটেধরা পাপেদের আগুন ছাড়িয়ে যাচ্ছে চুল্লির আক্রোশ। ভাবতে-ভাবতৠ‡ কখন চুল্লি আর চুল্লুবিলা সের সূক্ষ্ম ফাঁকের মধ্যে ঢুকে পড়ে মাতালহাওয়à¦Â ¾à¦° কানেআঙুল খেউড়। বাঁশি তাকে বুকভরে বাজায়। নিজেও বাজে।

শেষ হয় জিরেন। শুরু হয় চরকার গান। সুতো ছাড়া।

বনফুলেরা তখন ফলমন্ত্রে শরীরে লুকিয়ে নিচ্ছে রাত্রিবীজ...
অলংকরণঃ সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যঠ¾à§Ÿ

ফেসবুক মন্তব্য

Copyrights © 2016 All Rights Reserved by বম্বেDuck and the Authors
Website maintained by SristiSukh CMS
kusumarghya@yahoo.com